• slider image
  • slider image
  • slider image
  • slider image
  • slider image
  • slider image
  • slider image
  • slider image
  • slider image
  • slider image
  • slider image
  • slider image
  • slider image
  • slider image
  • slider image
  • slider image
  • slider image
  • slider image
  • slider image
  • slider image
  • slider image
  • slider image
  • slider image
  • slider image
  • slider image
  • slider image
  • slider image
  • slider image
  • slider image
  • slider image
মেনু নির্বাচন করুন

রাণীশংকৈল পৌরসভা, ঠাকুরগাঁও | Ranisankail Paurashava

রাণীশংকৈল পৌরসভা ঠাকুরগাঁও জেলার অর্ন্তগত একটি পৌরসভা। ইহা ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। রাণীশংকৈল পৌরসভার আয়তন প্রায় ৫.৪৩ বর্গ কিলোমিটার। রাণীশংকৈল পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে প্রায় ২২,৭৬৭ হাজার লোক বসবাস করে। রাণীশংকৈল পৌরসভায় মেয়র, সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলরসহ সর্বমোট ১৩ জনের সমন্বয়ে পৌর পরিষদ গঠিত। রাণীশংকৈল পৌরসভায় বর্তমানে নিয়মিত কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের সংখ্যা ১৮ জন এবং চুক্তিভিত্তিক ১২ জনের সমন্বয়ে পৌরবাসীকে অত্যন্ত সুনামের সহিত সেবা প্রদান করে আসছে। সেবার মান আরো উন্নতিকল্পে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। শিক্ষায় বর্তমানে যথেষ্ট উন্নতি সাধন করেছে। অত্র পৌরসভায় অবস্থিত রাণীশংকৈল মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি পর পর ২ বার দেশের শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয়ের মর্যাদা লাভ করেছে। উনিশশত খৃষ্টাব্দের প্রথম দিকে রাণীশংকৈল জনপদটি ছিল মালদয়ার পরগনার অর্ন্তগত। পরে জমিদার বুদ্ধনাথের ছেলে টংকনাথ বৃট্রিশ সরকারের আস্থা লাভ করেন। কথিত আছে টাকার নোট পুড়িয়ে জনৈক বৃট্রিশ রাজ কমর্চারীকে চা পান করিয়ে টংকনাথ চৌধুরী উপাধী পান। এর পর দিনাজপুরের মহারাজা গিরিজা নাথ রায়ের বশ্যতা স্বীকার করে রাজা উপাধি পান। তখন থেকে তিনি রাজা টংকনাথ চৌধুরী। রাজা টংকনাথ চৌধুরীর ন্ত্রীর নাম জয়রামা শংকরী দেবী। রাণী শংকরী দেবীর নামানুসারে মালদুয়ার স্টেট হয়ে যায় রাণীশংকৈল। রাজা টংকনাথ চৌধুরীর মালদুয়ার স্টেটের ভগ্ন প্রায় বাড়িটি এখনও রাণীশকৈল পৌরসভার মধ্যে বিদ্যমান। উপজেলা সদর থেকে মাত্র সিকি মাইল দক্ষিনে পাকা রাস্তা সংলগ্ন খুনিয়া দিঘি মহান মুক্তিযুদ্ধে ঠাকুরগাও জেলার সবচেয়ে বড় আকারের বদ্ধভূমি। ৬ একর আয়তন নিয়ে কবে কখন খনন করা হয়েছিল তা অজানায় থেকে গেছে। মহান মুক্তিযুদ্ধে ব্যাপক গণ-হত্যায় নিরীহ মানুষের রক্ত পান করে তার নামের সার্থকতা। তালিকা সংগ্রহ থেকে জানা যায় ১০০০ জনের অধিক মানুষকে হত্যা করা হয়েছে।

রাণীশংকৈল পৌরসভা শিল্প ও বাণিজ্য

ঠাকুরগাঁও জেলাধীন রাণীশংকৈল উপজেলাস্থ ৩নং হোসেনগাঁও ইউপি, ৫নং বাচোর ইউপি ও ৮নং নন্দুয়ার ইউপি’র অংশ নিয়ে ২০০৪ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারী তারিখে গেজেট নোটিফিকেশন এর মাধ্যমে রাণীশংকৈল পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। সম্প্রসারিত এলাকাসহ রাণীশংকৈল পৌরসভার বর্তমান আয়তন ৫.৫০ বর্গ কিঃ মিঃ। এই পৌরসভায় শিল্প ও বাণিজ্যের দিন দিন প্রশার ঘটছে। এখানে প্রতিনিয়ত শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠছে। সরকার পৃষ্টপোষকতা করলে এটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভুমিকা পালন করবে।

                                       রাণীশংকৈল পৌরসভা, ঠাকুরগাঁও
                                                  সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

রাণীশংকৈল পৌরসভা ঠাকুরগাঁও জেলার অর্ন্তগত একটি পৌরসভা। ইহা ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। রাণীশংকৈল পৌরসভার আয়তন প্রায় ৫.৪৩ বর্গ কিলোমিটার। রাণীশংকৈল পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে প্রায় ২২,৭৬৭ হাজার লোক বসবাস করে। রাণীশংকৈল পৌরসভায় মেয়র, সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলরসহ সর্বমোট ১৩ জনের সমন্বয়ে পৌর পরিষদ গঠিত। রাণীশংকৈল পৌরসভায় বর্তমানে নিয়মিত কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের সংখ্যা ১৮ জন এবং চুক্তিভিত্তিক ১২ জনের সমন্বয়ে পৌরবাসীকে অত্যন্ত সুনামের সহিত সেবা প্রদান করে আসছে। সেবার মান আরো উন্নতিকল্পে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। শিক্ষায় বর্তমানে যথেষ্ট উন্নতি সাধন করেছে। অত্র পৌরসভায় অবস্থিত রাণীশংকৈল মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি পর পর ২ বার দেশের শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয়ের মর্যাদা লাভ করেছে।
উনিশশত খৃষ্টাব্দের প্রথম দিকে রাণীশংকৈল জনপদটি ছিল মালদয়ার পরগনার অর্ন্তগত। পরে জমিদার বুদ্ধনাথের ছেলে টংকনাথ বৃট্রিশ সরকারের আস্থা লাভ করেন। কথিত আছে টাকার নোট পুড়িয়ে জনৈক বৃট্রিশ রাজ কমর্চারীকে চা পান করিয়ে টংকনাথ চৌধুরী উপাধী পান। এর পর দিনাজপুরের মহারাজা গিরিজা নাথ রায়ের বশ্যতা স্বীকার করে রাজা উপাধি পান। তখন থেকে তিনি রাজা টংকনাথ চৌধুরী। রাজা টংকনাথ চৌধুরীর ন্ত্রীর নাম জয়রামা শংকরী দেবী। রাণী শংকরী দেবীর নামানুসারে মালদুয়ার স্টেট হয়ে যায় রাণীশংকৈল। রাজা টংকনাথ চৌধুরীর মালদুয়ার স্টেটের ভগ্ন প্রায় বাড়িটি এখনও রাণীশকৈল পৌরসভার মধ্যে বিদ্যমান।

উপজেলা সদর থেকে মাত্র সিকি মাইল দক্ষিনে পাকা রাস্তা সংলগ্ন খুনিয়া দিঘি মহান মুক্তিযুদ্ধে ঠাকুরগাও জেলার সবচেয়ে বড় আকারের বদ্ধভূমি। ৬ একর আয়তন নিয়ে কবে কখন খনন করা হয়েছিল তা অজানায় থেকে গেছে। মহান মুক্তিযুদ্ধে ব্যাপক গণ-হত্যায় নিরীহ মানুষের রক্ত পান করে তার নামের সার্থকতা। তালিকা সংগ্রহ থেকে জানা যায় ১০০০ জনের অধিক মানুষকে হত্যা করা হয়েছে।